দেশে বিদ্যুৎ খাতের প্রতারনা কোন ভাবেই কমছে না। প্রায় বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল নিয়ে দেশ জুড়ে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতের দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিদের অবহেলার জন্য এমন অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। এবং এই অনিয়মের জের ধরে বিপাকে পড়েছে সাধারন মানুষ। সাম্প্রতিক সময়ে কামাল নামে এক সাইকেল মেকানিকের দোকানে জুলাই মাসের বিল এসেছে ২৬ লাখের বেশি।
কিশোরগঞ্জ পাকুন্দিয়ায় এম,এ তুহিন (কামাল) নামে এর সাইকেল মেকানিকের দোকানে জুলাই মাসের বিল আসলো ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ১১৪ টাকা। তিনি পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের শিমুলিয়া চৌরাস্তা বাজারের দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছেন। ব্যবসায়ী এম,এ তুহিন (কামাল) জানান, দোকানে ১ টি ফ্যান ও ১ টি লাইট ব্যবহার করেন। এতে প্রতিমাসে ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকা বিল আসতো। কিন্তু এবার জুলাই মাসের বিলের কাগজ দেখে চক্ষু চড়কগাছ। বিদ্যুত অফিসের কাগজে উল্লেখ করা হয়েছে ২৩৪৬৯০ ইউনিট। যার মূল্য ধরা হয়েছে ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ১১৪ টাকা।

সরজমিনে মিটার রিডিং দেখা যায় ০.৪৫০০ ইউনিট কিন্ত বিদ্যুত অফিসের কাগজে উল্লেখ করা হয়েছে ২৩,৪৬৯০ ইউনিট। এমন ভূতুরে বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে যোগাযোগ করা হয় কটিয়াদী পল্লীবিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রে। সেখানে দায়িত্বে থাকা নাজমুল নামে এক কর্মচারী জানান, "বিলের সমস্যা থাকলে অফিসের মিটার রিডিং যারা করে তাদের সাথে কথা বলে সমাধান করতে হবে। এটা কোন সমস্যা না"।

প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎ বিভাগে নানা ধরনের অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও লুটপাট চলছে। কোন ভাবেই এই সকল অপকর্মকান্ড কমছে না। তবে সকল অনিয়ম নিরসনের জন্য নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এবং কঠোর দায়িত্বের সঙ্গে সকল কর্মকর্তাদের কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।