সমগ্র দেশ জুড়ে ব্যপক আলোচনা-সমলোচনার সৃ্ষ্টি হয়েছে সেনাবাহীনির অবসরপ্রাপ্ত সাবেক মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের নি/হ/তে/র ঘটনাটি। এমনকি দেশের বিভিন্ন শ্রেনীর বিভিন্ন পেশার অসংখ্য মানুষ পুলিশের এমন নি/র্ম/ম কর্মকান্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছে। সিনহা নি/হ/তে/র ঘটনায় তার পরিবারের করা মামালায় আসামীদের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে এক রিপোর্ট দাখিল করেছে।
সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ হ/ত্যা/র তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট দাখিল করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে আজ এই রিপোর্ট দাখিল করা হয়। এখন পর্যন্ত রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদনে এ ধরনের ঘটনা রোধে বেশ কিছু সুপারিশ করেছে কমিটি। তবে হ/ত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীর কথোপকথনের বহুল আলোচিত ফোন রেকর্ড পায়নি তদন্ত কমিটি। তাই বিষয়টিকে ’সীমাবদ্ধতা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে কমিটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে ২১ পৃষ্ঠার ছবি ও ৫৮৬ পৃষ্ঠার বিভিন্ন সাক্ষীর সাক্ষ্য রয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান গতকাল গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা কোনো ফোন রেকর্ডই পাইনি।

আমরা লিখেছিলাম, কিন্তু সাড়া পাইনি। পাশাপাশি চলমান ফৌজদারি মামলার কারণে স্বাভাবিকভাবেই সংশ্লিষ্ট অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাই জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে। চাইলেই আমাদের পক্ষে আসামিদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, এসব সীমাবদ্ধতা তাদের হত্যার ঘটনার উৎস ও কারণ নির্ধারণে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায়নি।

প্রসঙ্গত, সিনহা নি/হ/তে/র ঘটনায় প্রধান দুই আসামি বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলী। এই ঘটনাটির পর থেকে প্রদীপ-লিয়াকতের বিরুদ্ধে উঠেছে আরও নানা ধরনের অভিযোগ। সিনহা নি/হ/তে/র ঘটনায় স্বংয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এবং তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন সিনহার পরিবারকে।