বর্তমান সময়ে সমগ্র দেশ জুড়ে অধিকমাত্রায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। সাম্প্রতিক সময়ে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এবং সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হ/ত্যা মামালায় কারাগারে বন্ধি রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে উঠেছে নানা অনিয়মের অভিযোগ। এবং নতুন করে আরও একটি মামালার শিকার হলেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে মিজানুর রহমান নামের একজনকে ক্র/স/ফা/য়া/রে/র নামে হ/ত্যা/র অভিযোগে ওসি প্রদীপসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আরো একটি মা/ম/লার আবেদন করা হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (টেকনাফ - ৩) হেলাল উদ্দীনের আদা/লতে এই মামলার আবেদন করা হয়েছে। নি/হ/ত মিজানুর রহমানের বড়বোন নূর বাদি হয়ে এই দুই মা/ম/লার আবেদন করেন। মাম/লা/য় সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে প্রধান আসামী করা হয়েছে। নি/হ/ত মিজানুর রহমান হোয়াইক্যংয়ের জিমনখালী এলাকার বাসিন্দা। বাদি পক্ষের আইনজীবী জুলখার নাইন জিল্লুর সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। মামলার আবেদনে বাদি উল্লেখ করেন, মিজানুর রহমান একজন কাজকর্ম করে খাওয়া মানুষ। গত ৪এপ্রিল টেকনাফ থানা পু/লি/শে/র একটি তাকে আ/ট/ক করে নিয়ে যায়। এরপরও পু/লি/শ তার বাড়িঘর, আসবাবপত্র ভাং/চুর করে। ২০লাখ টাকা দাবি করে পু/লি/শ। না দিলে ক্র/স/ফা/য়া/রে হ/ত্যা করা হবে বলে হু/ম/কি দেয়া হয়।

বাধ্য হয়ে পরিবার নানাভাবে চেষ্টা করে ২ লাখ টাকা জোগাড় করে পু/লি/শ/কে দেন। কিন্তু আরো ১৮ লাখ টাকা দিতে না পারায় ৫এপিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিজের এলাকায় এনে মিজানুর রহমানকে ক্র/স/ফা/য়া/রে/র নামে গু/লি করে হ/ত্যা করে। আইনজীবি জুলখার নাইন জিল্লুর বলেন, ফৌজদারি মামলার এজাহারটি আমলে নিয়েছেন আদালত এবং ওই ঘটনা সং/ক্রা/ন্ত অন্য মামলা আছে কিনা তা আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে টেকনাফ থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা ধরনের অন্যায় কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন। এবং এই সকল অন্যায় কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। তার নামে-বেনামে রয়েছে বিপুল পরিমানের অর্থ। তার সকল সম্পদের সঠিক পরিমান জানার জন্য তদন্ত কার্য পরিচালান করছে দুদক।