কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া সহজ কথা নয়। অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার আশায় ১ বছর গ্যাব দিয়েও দেন। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায়, নিজের জীবন থেকে ১ বছর বাদ দিয়েও সুযোগ মিলছে না বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান পেলেন ফারুক হুসাইন। কিন্তু চান্স পাওয়া সত্বেও নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অসস্তিতে ভুগছেন তিনি। হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান ফারুক এতদিন কষ্ট করেই নিজের লেখাপড়ার খরচ চালিয়েছেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিসহ পড়ালেখার খরচ সামলানো তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
ফারুক খুলনার কয়রা উপজেলার বারপোতা গ্রামের দিনমজুর মোশারফ হোসেন সরদারের ছেলে। ২০১৬ সালের মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পাস করেন তিনি। এরপর অভাবের কারণে এইচএসসিতে ভর্তি হতে পারেননি। গ্রামের বিভিন্ন স্থানে দিনমজুরের কাজ করতেন। ২০১৭ সালে কলেজের শিক্ষকরা অনেকটা জোর করেই কয়রার খান কমর উদ্দিন ডিগ্রি কলেজে ভর্তি করিয়ে দেন তাকে। এরপর এক শিক্ষকের উৎসাহে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ’খ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে মেধা তালিকায় স্থান পান।

ফারুক হুসাইন বলেন, ২১ নভেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি শুরু হবে। অর্থের অভাবে ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাবে- এ কথা ভাবতেই পারছি না।

ফারুককে সহযোগিতা করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন তার ব্যক্তিগত ০১৯২৫৩৮৩৭৫১ (বিকাশ) নম্বরে।

এদিকে তার এ বিষয়ে অনেকে বলেছেন, ফারুক গরিব ঘরের ছেলে হলেও সে একজন মেধাবী ছাত্র, আর তা না হলে সে কখনও এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেত না। তাই সে যাতে ভবিষ্যৎ এ ভালো কিছু করতে পারে তাই আমরা সাহায্য করছি, আশা করি আপনারাও এগিয়ে আসবেন।