উচ্চ আদালত প্রাণ কোম্পানির বেশ কিছু নিম্নমানের পণ্য যেমন: প্রাণের ঘি, লাচ্ছা সেমাই, হলুদ গুঁড়াসহ নিম্নমানের পণ্যকে বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দেন। কিন্তু উচ্চ আদালতর আদেশ অমান্য করায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, প্রাণ কোম্পানির বিরুদ্ধ নিম্নমানের পণ্য উৎপাদনের অভিযোগে একটি মামলা করেন। এদিকে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের করা মামলায় গতকাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (নগর ভবন) ভবনে অবস্থিত বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক হাকিম মেহেদী পাভেল সুইট প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরীকে এই মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন।
এদিন প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী প্রাণ-এর গুঁড়া হলুদের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য অধিদফতরের মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালতে প্রাণ গ্রুপের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তানজীম আল ইসলাম ও কাজী আবদুর রহমান। পরে আইনজীবীরা জানান, গত রবিবার প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গুঁড়া হলুদের একটি মামলার সমনের জবাব দেওয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। আমরা তার পক্ষে সময়ের আবেদন করি। আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গতকাল তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে।
তাছাড়া এর আগে প্রাণের ঘি, লাচ্ছা সেমাই, হলুদ গুঁড়াসহ আরও ৫২টি নিম্নমানের পণ্যকে বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দেন। কিন্তূ কোনো প্রতিষ্ঠান উচ্চ আদালতের দেওয়া আদেশের কর্ণপাত করেনি। এসব নিম্নমানের পণ্য উৎপাদনের অভিযোগে গত ২২ মে প্রাণসহ মানহীন ৫২টি পণ্যের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। পরবর্তিতে গত মঙ্গলবার আবারও ২১টি নিম্নমানের পণ্য উৎপাদনের অভিযোগের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।