কোভিড১৯ প্রাননাশাকরী ভাইরাস হানা দিয়েছে বিশ্বের অসংখ্য দেশে। এবং এই ভাইরাসের সং/ক্র/ম/ন প্রতিরোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। এবং এক দেশ অন্য দেশের সাথে সাময়িক ভাবে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। তবে ১ আগস্ট থেকে বিশ্ববাসীর জন্য সীমান্ত খুলে দিচ্ছে কুয়েত। কিন্তু সাতটি দেশের নাগরিকদের জন্য প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এরই মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের নাম।
করোনাভাইরাস মহামারিতে প্রায় চারমাস বন্ধ থাকার পর আগামী ১ আগস্ট থেকে বিশ্ববাসীর জন্য সীমান্ত খুলে দিচ্ছে কুয়েত। তবে আপাতত এই সুবিধা পাবে না বাংলাদেশসহ সাতটি দেশ। অর্থাৎ এই সাতটি দেশের নাগরিকদের জন্য কুয়েতে প্রবেশ নিষিদ্ধই থাকছে। বৃহস্পতিবার কুয়েতের সেন্টার ফর গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশন (সিজিসি) দেশটির মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে এক টুইটে জানিয়েছে, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ইরান ও ফিলিপাইন ছাড়া বাকি দেশগুলোর নাগরিকেরা কুয়েতে যাতায়াত করতে পারবেন। এর আগে, চলতি মাসের শুরুর দিকে করোনা নিয়ন্ত্রণে পাঁচ ধাপে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার পরিকল্পনা অনুসারে ১ আগস্ট থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার ঘোষণা দেয় কুয়েত সরকার।

এসময় স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানায়, ৩০ শতাংশ ধারণক্ষমতার শর্ত মেনে ফ্লাইটগুলো পরিচালনা করা হবে। এক্ষেত্রে যাত্রীদের মাস্ক-গ্লাভস ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। বিমানবন্দরে আসতে-যেতে স্ক্যানার মেশিনের মাধ্যমে যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করা হবে।
ছুটিতে থাকা প্রবাসীদের ভ্রমণের অন্তত চারদিন আগে কুয়েত দূতাবাস অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে পিসিআর সনদ গ্রহণ করতে হবে। কুয়েত বিমানবন্দরে পৌঁছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি ফরম পূরণ করতে হবে। সরকার প্রয়োজন মনে করলে তারা সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার অথবা হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বাধ্য থাকবেন।

প্রসঙ্গত, এমনিতেই কোভিড১৯ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর প্রথম থেকেই কুয়েত নিজ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ঠিকিয়ে রাখার জন্য নানা ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করেছে। এবং দেশটিতে বসবাসকারী বিভিন্ন দেশের প্রবাসী শ্রমিকদের সংখ্যা কমিয়ে আনার জন্য নতুন এক নীতিমালা প্রনয়ন করেছে। এবং এরই ধারাবাহিকতায় কাজ করছে কুয়েত সরকার।