বর্তমান সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অধ্যায়নরত রয়েছে অসংখ্য বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা। এদের মধ্যে অনেকেই রয়েছে যারা কিনা নিজেদের মেধা গুনে অর্জন করছে নানা ধরনের সফলতা। এমনকি উঠে আসছে আলোচনার শীর্ষে। সম্প্রতি এমনি এক শিক্ষার্থীর নাম উঠে এসেছে। তার নাম মিশায়ার রায়হান চৌধুরী।
মালয়েশিয়ায় স্বর্ণপদক জিতেছে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মিশায়ার রায়হান চৌধুরী। কুয়ালালামপুরের আইডিআর এসআইসি ক্রোয়েশিয়া টেকনোলজি এক্সপো ২০২১ এ সামাজিক উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা পরিচালন বিভাগে আন্তর্জাতিক মেরিটের এ পুরস্কার অর্জন করে সে।মালয়েশিয়া-ক্রোয়েশিয়া টেকনোলজি এক্সপো-র ই.পিক.আপ অ্যাপ্লিকেশন কোডিংয়ে তার দল প্রথম স্থান অর্জন করায় তাকে এ স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। স্বর্ণপদকের পাশাপাশি মহামারি সময়ে মালয়েশিয়া সিঙ্গাপুর ইউথ অনলাইন কাউন্সেলিং-এ আরও দুটি পদক পেয়েছে সে। ই.পিক.আপ অ্যাপ্লিকেশনটি কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা বাড়ানোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এ অ্যাপ্লিকেশন শিক্ষার্থী, মা-বাবা এবং শিক্ষকদের নিরাপত্তা বাড়িয়ে তুলতে পার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্যও এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

মিশায়ারের বাবা আসিফ রহমান চৌধুরী মালয়েশিয়ায় প্রতিষ্ঠিত একজন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। মা সাঈদা রোমানা মজিদ একজন আইনজীবী। এই দম্পতির তিন মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে মিশায়ার সবার বড়। মালয়েশিয়ার ইদ্রিছি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের এ শিক্ষার্থী সবেমাত্র ১৪ পেরিয়ে ১৫-তে পা রাখল। মিশায়ারের দাদা নুরুল হক চৌধুরী এবং দাদি শিরিন নীলুফার চৌধুরী গোপালগঞ্জের এন হক বিশ্ববিদ্যালয় অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির প্রতিষ্টাতা। মিশায়ারের এ অর্জনে তার বাবা-মা দেশ-বিদেশের সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর এ অর্জনে বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশন মালয়েশিয়া, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব অব মালয়েশিয়ার নেতৃবৃন্দ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

প্রতিবছরেই বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থীরা উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়ে থাকে। এমনকি অর্জন করছে নানা ধরনের সফলতা এবং সম্মাননা। অবশ্যে তাদের এই সফলতা এবং সম্মাননা দেশের জন্যও গৌরবের।