কোভিড১৯ ভাইরাসকে ঘিরে বিশ্বের ধনী-গরীব সকল দেশ নিজ অবস্থানে থেকে করোনা নির্মূলের উপায় খুঁজছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ-ভারত ও বিশেষ ভূমিকা পালন করছে এই ভাইরাস নির্মূলের জন্য। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ’আইভারমেকটিন’ ব্যবহারে সুফল মিলেছে দাবি করেছেন অধ্যাপক তারেক আলম। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা আমলে নিয়ে আইভারমেকটিনের উপর বিশেষ নজর দিয়েছে ভারত।
আইভারমেকটিন নিয়ে প্রয়োজনীয় গবেষণা নিয়ে ভাবছে ভারতও। সেক্ষেত্রে রেফারেন্স হিসেবে মোনাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার পাশাপাশি তারা আমলে নিচ্ছেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা। সময় সংবাদকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কনফেডারেশন অব মেডিকেল অ্যাসোশিয়েশন এশিয়া অ্যান্ড ওশেনিয়ার প্রধান ডা. কে কে আগারওয়াল জানান, এরই মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে কেউ কেউ ব্যবহারও করছেন। তবে এ ওষুধ নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও সময় লাগবে। মহামারির এ সময়ে লকডাউনের চেয়েও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন এ বিশেষজ্ঞ। অস্ট্রেলিয়ার মোনাস বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালে প্রকাশের পর থেকেই আলোচনায় ’আইভারমেকটিন’। এরপর বাংলাদেশে স্বল্পপরিসরে ব্যবহারে সুফল মেলার দাবি করেন অধ্যাপক তারেক আলম। এ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমও সরগরম।

সময় সংবাদের মুখোমুখি হয়ে কনফেডারেশন অব মেডিকেল অ্যাসোশিয়েশন এশিয়া অ্যান্ড ওশেনিয়ার প্রধান ডা. কে কে আগারওয়াল বলেন, পেনডেমিকের এ সময়ে সম্ভাব্য অন্যান্য ওষুধের মতো আইভারমেকটিনের দিকেও নজর রাখছে ভারত। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের পরিস্থিতিও আমলে নিচ্ছেন তারা। ডা. কে কে আগারওয়াল বলেন, যেহেতু এখনো কোনো ওষুধ আবিষ্কার হয়নি তাই গবেষণার পাশাপাশি গুরুত্ব দিতে হবে সামাজিক দূরত্বে। তার মতে লকডাউন কোনো স্থায়ী সমাধান নয়, মাস্ক পরে সতর্ক থেকে ধীরে ধীরে ফিরতে হবে স্বাভাবিক জীবনে। তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতাও জরুরি বলে মনে করেন এ বিশেষজ্ঞ।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের তুলনায় কোভিড১৯ ভাইরাস মারাত্মক আকার ধারন করেছে। এমনকি করোনা উৎপত্তি স্থল চীনকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেছে ভারত। এবং প্রতিমূহুর্তেই প্রানহননকারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাননাশের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতে। নানা ভাবে ভারত সহ গোটা বিশ্ব এই মহামারি থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে রয়েছে।