ধাপে ধাপে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সারাদেশেই এটা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। পেঁয়াজ নিয়ে মানুষ অনেক কথা বললেও সমাজের মানুষের কাছে পেঁয়াজের দাম বড়ার কারণ এখনও রহস্য। তবে অ্যামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রথমে খুজে বের করতে হবে যে পেঁয়াজের দাম বাড়ার পেছনে কারও হাত আছে কি না।
এবার পেয়াজ নিয়ে নিজ ফেইজবুকে স্ট্যাটাস দিলেন শরিফুল হাসান।

পাঠকদের জন্য তা হুবাহু তুলে ধরা হলো;

ডাবল সেঞ্চুরি করে এখনো নটআউট পেঁয়াজ। দেশজুড়ে বাজারে অভিযান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আশ্বাস, বড় চালান আসার খবর—কোনো কিছুই থামাতে পারছে না পেঁয়াজের দরবৃদ্ধিকে। বাঙালি রান্নার উপাদেয় এই উপকরণটির চোটপাটে ক্রেতারা দিশেহারা।

এই দেশে পেঁয়াজ ২০০ টাকা কেন হয় জানেন? কারণ ব্যবসায়ীরা জানে ২০০ নয়, দুই হাজার টাকা হলেও লোকে পেঁয়াজ কিনবে। দেখেন পেঁয়াজ কোনো জরুরি জিনিস নয়, যে না খেলে মরে যাবো।

তারপরও আমরা দেড়শ বা ২০০ টাকায় কিনছি। কিন্তু কেন? কেন বর্জন করো না? আজ থেকে একমাস চলেন পেঁয়াজ কেনা বন্ধ করে দিই দেখবেন ব্যবসায়ীরা ২০ টাকায়ও বিক্রি করতে পারবে না। কিন্তু এই দেশে সেটা কখনো হবে না।

কারণ একদল লোকের এতো টাকা যে দুইশ বা দুই হাজারে তাদের কিছু যায় আসে না। আরেকদল আমাদের মতো। তারা কষ্ট হলেও কিনবে।সমস্যার সমাধান কী? আমি বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির বিপক্ষে। মনে আছে আপনাদের ভারত গরু পাঠানো বন্ধ করার পর আমাদের দেশের বাজার ভালো হয়েছিলো।

আমি মনে করি আমরা যদি পেঁয়াজ বর্জন করতে পারি তাহলে দেশের কৃষকরা ভালো দাম পাবে। আর আমদানি না করা হলে দামও কখনো বাড়বে না। তাই সবার আগে দরকার বেশি দামে পেঁয়াজ বর্জন। হ্যাঁ সরকার দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না সেটা সত্য।

আরও বড় সত্য তারা পারবেও না। তবে তার চেয়েও বড় সত্য কী জানেন? আমরা বর্জন করতে পারি না। পারলে আসুন পেঁয়াজ বর্জন করি আজ থেকে। আমি আরও আগেই শুরু করেছি, সবাই মিলে চলুন শুরু করি। একমাস না হোক অন্তত একটা সপ্তাহ সবাই পেঁয়াজ কেনা বন্ধ রাখি চলেন। দেখবেন পেঁয়াজের দাম পড়ে গেছে। চলেন পারলে চ্যালেঞ্জটা দিই ব্যবসায়ীদের।

এদিকে গতকাল প্রধনামন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পেয়াজ নিয়ে আর কোনো মাথা ব্যাথা থাকবে না, পেঁয়াজ পেলেনে উঠে গেছে। তবে আমরা অবশ্যই খুজে বেড় করবো, যাদের কারণে পেঁয়াজের দাম এতো হয়েছে তাদেরকে আইনের আয়তায় আনা হবে।