সম্প্রতি রাজধাণী ঢাকায় অবৈধ ক্যাসিনো কর্মকাণ্ডের কারণে আটক করা হয়েছিল যুবলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে। তাদের মধ্যে রাঘব বোয়াল হিসেবে আটক করা হয়েছে জি কে শামীম, খালেদ, লুকমান এবং সাবেক যুবলীগ সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাটকে। তবে পরবর্তিতে এর অভিযোগ এসে পড়ে যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর উপর। পরে এ ঘটনার সত্যতার প্রমান মেলায় তাকে যুবলীগ চেয়ারম্যানের পদ থেকে বিহিষ্কার করা হয়।
তবে এদিকে যুবলীগের নতুন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে সবাই উচ্ছ্বাসে ভাসছেন। শিক্ষিত, সংস্কৃতি অন্তপ্রাণ শেখ ফজলে শামস পরশ এর সাথে দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়া মাইনুল হোসেন খান নিখিলকে নিয়ে তেমন একটা কথাবার্তা হচ্ছে না। নিখিল মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক, সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন- এতে তার রাজনৈতিক, সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ পা্ওয়া যায়। কিন্তু ফারুক চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুবলীগ যে অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছিলো- তা থেকে নিখিল কতোটা মুক্ত ছিলেন সে সব নিয়ে তেমন একটা আলোচনা হচ্ছে না। পরশের সাথে পরশের মতোই সাধারণ সম্পাদক না হলে পরশের দায়িত্ব পালন কঠিন হয়ে যাবে এটা তো স্বাভাবিক।

নানা বিতর্কের কারণে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটির কার্যকরী সভাপতির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হয়েছে। তাহলে কি দাঁড়ালো? যে বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে নতুন কমিটি, সেই বিতর্ক থেকে দল আসলে বের হতে পারেনি।

মাইনুল হোসেন খান নিখিলকে নিয়েও পত্র-পত্রিকায় রিপোর্ট হয়েছে। দুদক তার বিরুদ্ধে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও খবর বেরিয়েছে। তা হলে কি দাঁড়ালো? যেই অভিযোগে ওমর ফারুক চৌধুরীদের কমিটি ভেঙে দেয়া হয়েছিলো- একই রকমের অভিযোগ আছে এমন আরেকজনকে সাধারণ সম্পাদক বানানো হলো কিভাবে?

তার কথায় যে অভিযোগের দায়ে সাবেক যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকে তার পদ থেকে সড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল তবে সেই একই অভিযোগে আছে আরেকজন সাধারণ সম্পাদক বানানো হলো কিভাবে? সুতরাং যে সমস্যাটা দল থেকে দূর করার কথা মানুষ শুনে আসছে এতোদিন, আসলেই যে সমস্যটা দূর হয়েছে।