সম্প্রতি বিবাহ করেন বাগমারা উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাসিরউদ্দিন মির্জা। তবে তার এ বিবাহকে ঘিরে শুরু হয় নানা সমালোচনা। জানা যায়, কণ্যের বাড়ির দূরত্ব মাত্র ১ কি,মি হওয়া সত্বেও তিনি হেলিকপ্টারে করে কণ্যের বাড়ি যান, আর এ নিয়ে শুরু সমালোচনা। মানুষের শখ তো থাকতেই পারে বিয়েতে একটু বিশেষ কিছু করার। তবে এটা নিয়ে এমনটা করা কারও শোভা পায় না।
এদিকে আজ আশরাফুল আলম খোকন এ বিষয়ে নিজ ফেসবুক পেইজে বলেন, ছাত্রলীগের একজন সাবেক নেতা হেলিকপ্টার নিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে। এই রকম শখ অনেকেরই থাকে। হয়তো এর জন্য লাখখানেক টাকা বেশি খরচ হয়েছে। সাংবাদিকতার দৈন্যতা কোন জায়গায় গেছে যে এটা নিয়েও সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। ক্যানরে ভাই, ছাত্রলীগ করলেই কি ফক্কিন্নি হতে হবে। ছাত্রলীগ করলে কি বাপ-মায়েরও কোনো টাকা পয়সা থাকা যাবে না।

আপনারা যেসব বিয়ের দাওয়াত খেতে যান, ওইসব বিয়েতে তো কোটি কোটি টাকা খরচ হয়। ওই গুলো নিয়ে তো নিউজ করেন না। ছাত্রলীগ দেখলেই কি আপনাদের চুলকানি উঠে নাকি? তাহলে হোমিওপ্যাথির ডাক্তার দেখান।

অনেকেরই তো ইচ্ছা থাকে সাধারণ দিনের থেকে বিয়ের দিন একটু বিশেষ দিন হিসেবে পালন করার। এছাড়া সম্প্রতি ভারতে দেখা গেছে, এক কৃষক নিজ মেয়ের ছোট কালের আবদার রাখতে বিয়ের দিন মেয়েকে চমকে দিয়ে হেলিকপ্টার আনেন। আর এতে করেই তিনি তার মেয়েকে শশুর বাড়ি পাঠান। তাহলে এখানে মানুষের শখ থাকতেই পারে তবে এটা নিয়ে সমালোচনা করা কারো জন্য উচিত না।