রিজেন্ট হাসপাতাল বর্তমান সময়ে দেশ জুড়ে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে। দেশের সংকটময় পরিস্তিতির মধ্যেও এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই রিজেন্ট হাসপাতালটিতে করোনা পরীক্ষার অনুমতি রয়েছে তবে পরীক্ষা না করেই ৬ ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করত প্রতিষ্ঠানটি। এমনকি উপার্জন ও করেছে বিপুল পরিমানে টাকা। সাম্প্রতিক সময়ে এই হাসপাতাল প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোষ্ট দিয়েছেন আসিফ নজরুল।
ডা. জাফরুল্লাহর করোনা পরীক্ষার কীট নিয়ে মাসের পর মাস ধরে কি পরীক্ষা নীরিক্ষা, কতো ধরনের কথা চালাচালি সরকারের! আর লাইসেন্স ছাড়া, যন্ত্রপাতি ছাড়া এক ভুয়া হাসপাতালকে করোনা পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর! সেও কোন নীরিক্ষা না করে!অনুমতি পাওয়ার পর করোনকালে পরীক্ষা না করেই ৬ হাজার ভুয়া রিপোর্ট করেছে। প্রতিটি থেকে নেয়া হয়েছে ৩৫০০ টাকা করে। কতো মানুষকে এভাবে সং/ক্রা/মি/ত করেছে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক? কতো মানুষকে মৃ"ত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে তারা। এ মৃ"ত্যুর দায় কেন নিবে না স্বাস্থ্য অধিদফতর? আরেকটা বিষয়। এমন নরপিশাচদের যাতায়াত দেশের রথী-মহারথী পর্যন্ত থাকে কিভাবে? এসবে মানহানি হয়না তাদের?

প্রসঙ্গত, এমনিতেই করোনার ভায়াল হানায় বিশ্বের ধনী-গরীব সকল দেশের চিকিৎসা খাত হুমকির মুখের পড়েছে। এই প্রভাব বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতেও বিদ্যমান। তবে পূর্বে থেকেই বাংলাদেশের চিকিৎসা খাত রয়েছে হুমকির মুখে। প্রায় চিকিৎসা খাতের নানা অনিয়ম বিভিন্ন মাধ্যমে উঠে এসেছে। প্রকৃত অর্থে এই করোনায় সৃষ্ট সংকট থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য দেশের সকল সেক্টরকেই সততার সঙ্গে কাজ করার বিশেষ প্রয়োজন।