কোভিড১৯ ভাইটরসকে ঘিরে বিশ্ববাসীর মধ্যে বির্তকের শেষ নেই। এই প্রাননাশকারী ভাইরাসকে ঘিরে একাক সময় একাক ধরনের বির্তকের সৃষ্টি হচ্ছে। ভাইরাটি দেশ ও মানুষ ভেদে ভিন্ন ভিন্ন আচারন করায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে বির্তকের মাত্রা ক্রমশই তীব্র হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশক ও সম্পাদক শওগাত আলী সাগর করোনার ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোষ্ট দিয়েছেন।
মার্কিন কোম্পানির উৎপাদিত ভ্যাকসিন মার্কিন নাগরিকদের জন্য ব্যবহার করা হবে, অথচ সেটি কিনতে হচ্ছে সরকারকে। খোদ ট্রাম্প প্রশাসনকে চুক্তি করতে হচ্ছে উৎপাদক কোম্পানিরি সঙ্গে। মার্কিনী নয়-এমন কোম্পানির সঙ্গেও চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তিনটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছে কানাডার ফেডারেল সরকার। করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তা হলে এমনি এমনি পাওয়ার বিষয় না! এমন কি যে দেশের কোম্পানি, যে দেশে উৎপাদিত হচ্ছে সেই দেশের নাগরিকদের জন্যও না! সরকারকে উদ্যোগী হয়ে পয়সা দিয়ে সেগুলো কিনতে হয়! আগাম চুক্তি করতে হয়!

ইউরোপ আমেরিকার সরকারগুলো ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য এখন থেকেই দৌড় ঝাপ শুরু করেছে, আগাম চুক্তি করছে। মনে হচ্ছে, ভ্যাকসিন পাওয়া কতো কঠিন! অথচ বাংলাদেশে নাকি উৎপাদকরা নিজে এসে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে চায়! সরকারের এই সব নিয়ে কোনো মাথাব্যথা চোখে পরে না। চীন, রাশিয়া, ভারত সবাই যেনো সাধাসাধি করছে, বাংলাদেশের পছন্দ করার বিষয়-তারা কাদের কাছ থেকে ভ্যাকসিন নিয়ে কাদের ধন্য করবে! প্রাইভেট কোম্পানিও ঘোষণা দিয়ে দেয়-প্রোডাকশনের দায়িত্বে থাকা (যাদের বিতরণেরর ক্ষমতা নাই) কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেই নাকি তারা ভ্যাকসিন নিয়ে আসবে। করোনা বিষয়টাই তো বাংলাদেশে ভিন্ন রকম, ভ্যাকসিন, ওষুধ এগুলো তো ভিন্ন হবেই!

প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত বাংলাদেশেও ব্যপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাননাশকরী নভেল কোভিড১৯ ভাইরাস। তবে গবেষকরা জানিয়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের এমনকি বিশেষ করে দক্ষিন এশিয়ার দেশ গুলোতে ভাইরাসটির জ্বীনগত ধরন ভিন্ন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বের বেশ কয়কেটি দেশের আবিষ্কৃত ভ্যাকসিন নিয়ে সমগ্র বিশ্বের করোনা প্রতিরোধ প্রক্রীয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।