পু/লি/শে/র গু/লি/তে সেনাবাহীনির অবসরপ্রাপ্ত সাবেক মেজর সিনহা নি/হ/তে/র ঘটনার পর থেকে সমগ্র দেশ জুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছ। এমনকি পু/লি/শে/র এমন জ/ঘ/ন্য ঘটনাকে নিন্দা জানিয়েছে সমাজের বিভিন্ন পেশার বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ। সিনহা নি/হ/তে/র ঘটনায় তার পরিবার টেকনাফ থানার ও/সি প্রদীপ কুমারকে প্রধান আসামী করে আরও বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি হ/ত্যা মামালা দায়ের করেছে। এবার এই ও/সি প্রদীপ কুমারকে নিয়ে বেশ কিছু কথা তুলে ধরেছেন আমাদের নতুন সময়ের সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান।
সিনহা হ/ত্যা ও সুশাসন বিষয়ে চ্যানেল ৭১ এ লাইভ পোগ্রামে আমাদের নতুন সময়ের সম্পাদক বলেন, সুতরাং এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে, আমরা যে আরও শত শত মামলার কথা আলোচনা করছি, সেই মামলায় এগুলো নিয়ে আলোচনা হবে না। কিন্তু উকিলরা এডভান্টেজ নেয়ার জন্য সেগুলো নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু আদালত শুধুমাত্র মামলাটা কী, মামলায় কী চাওয়া হয়েছে সেটা দেখবে। আমাদের এখানে ১৬১ ধারায় জবানবন্দীর মূল্য নেই। উনি রি/মান্ডে যতই জবানবন্দী দিক না কেনো, আদালতে গিয়ে যদি তিনি বলেন, ঐ সময় আমাকে জোর করে এই জবানবন্দি দিতে বাধ্য করা হয়েছিলো, তাহলে আর কোন লাভ হবে না। তবে এই বলা না বলায় যে বড় কিছু আসে যায় তা কিন্তু না।

তিনি বলেন, যদি আমাদের সাক্ষী ও প্রমাণ থাকে, উনি স্বীকার করলেন কি করলেন না তাতে কিছু আসে যায় না। মূল বিষয় হলো, এই মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ ঠিক থাকছে কি না। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, তবে যত কিছুই হোক এই মামলাটা কীভাবে পরিচালনা করা হবে তা নির্ধারণ হবে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে। যে মামলা নিয়ে চাপ নাই আন্দোলন নাই, সেই মামলাগুলো চাপা পড়ে যায়। কিন্তু যেগুলো নিয়ে চাপ থাকে সেগুলো চলমান থাকে। তবে আমাদের আশা এই মামলার সুষ্ঠু বিচার হবে। এজন্য দরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠা।

প্রসঙ্গত, ওসি প্রদীপ কুমার সাবেক মেজর সিনহা নি/হ/তে/র ঘটনায় বর্তমানে কারা/গারে রয়েছেন। ও/সি প্রদীপ কুমার গ্রে/ফ/তার হওয়ার পর থেকে তার বিরুদ্ধে উঠেছে আরো নানা অভিযোগ। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এবং তিনি তার অপরাধ কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে গড়েছেন বিপুল পরিমানের সম্পদের পাহাড়।