এর আগে দীর্ঘ ৫ বছর ঢাকা উত্তর সিটিতে মেয়র পদে ছিলেন আতিকুল ইসলাম। তিনি সে সময়ে দায়িত্বে থাকাকালে মানুষের জীবনামান উন্নয়নের পাশাপাশি রাস্তা ঘাট উন্নয়ন করেছেন। তাই তার এমন দায়িত্ববোদের কারনে এবারও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্তিতা করছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। চলতি মাসের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ।
চলতে চলতে যদি দেখেন, ঢাকা উত্তর সিটির সদ্য সাবেক ও বর্তমান মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম ফুটপাতের দোকানে কেটলি হাতে চা বানাচ্ছেন আর ’এই চা, চা লাগবে’ বলে ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন, তাহলে বিশ্বাস করা কঠিনই হবে বৈ কি। কিন্তু সোমবার তেমনটাই ঘটেছে। তাই বলে ভাবতে যাবেন না যে মেয়র আতিকুল বুঝি নিঃস্ব হয়ে এই পেশায় নেমেছেন।

নির্বাচনের মৌসুমে প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের নানা ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ড নজরে আসে প্রায়ই। কখনো প্রার্থীরা, কখনো বা তাদের সমর্থকরা এমন কিছু কাজ করেন যা সচরাচর তাদের করতে দেখা যায় না। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলামের ফুটপাতে বসে চা বানানো আর তা পরিবেশনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ঘটনাটি আজ সোমবারের। আতিকুল ইসলাম আজ সকালে নেতাকর্মী পরিবেষ্টিত হয়ে ঢাকা উত্তরের খিলগাঁও, রামপুরা এলাকায় প্রচারণায় নামেন। এক পর্যায়ে রামপুরার একটি সড়কের ফুটপাতের ছাপড়া চা-দোকানে ঢুকে বসে পড়েন দোকানির টোলে। কাপ ধুয়ে হাতে তুলে নেন কেটলি। কাপে চা বানিয়ে পরিবেশন করেন প্রচারণাসঙ্গীদের।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ভিডিওতে দেখা যায়, আতিকুল ইসলাম চা তৈরি করছেন, তার সামনে একটি বেঞ্চে বসা বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। আশপাশে অনেকে জোরে জোরে কথা বলছেন। এর ফাঁকে আতিকুলকে বলতে শোনা যায়, ’এই চা চা।’ পাশ থেকে একজন বলে ওঠেন, ’এই নৌকার চা খাবে, কে খাবেন।’

এরপর বারবার আতিকুল বলছেন, ’এই চা-চা কে খাবে?’ একবার তাকে বলতে শোনা যায়, ’এই...মালাই কার লাগবে?’

ভিডিওতে শেষের দিকে মেয়রপ্রার্থীর উদ্দেশে কোনো একজনকে বলতে শোনা যায়, ’আসলে চা-টা মজা হয়েছে।’ আতিকুল ইসলাম তার কাছে জানতে চান, চা আসলেই মজা হয়েছে কি না।

এর আগে আজ সকালে খিলগাঁও তালতলা মার্কেটের সামনে গণসংযোগ করেন আতিকুল ইসলাম।

তবে এবার ঢাকা উত্তর সিটি এবং দক্ষিন সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রর্থীদের পাশাপাশি বিএনপির প্রার্থীরাও অংশ নিয়েছেন। তবে দু-দলের মধ্যে চলছে প্রতিনিয়ত পাল্টা-পাল্টি সমালোচনা। চলতি এমাসের ৩০ তারিখে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকোলে বিএনপি নেতাকর্মীরা নির্বাচনের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করছেন। তারা জানান, তাদের উপর হামলা এবং হুমকি দেওয়ার হচ্ছে।