বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে ব্যপক হারে অনিয়মের প্রবনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি দেশ যখন করোনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এই সময়েও ব্যপক বিস্তার লাভ করেছে এই স্বাস্থ্য খাতের নানা ধরেনর অনিয়ম। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য নতুন ডিজি বহাল করা হয়েছে। এছাড়াও ডিজি বহালের পর পরই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২৮ কর্মকর্তা বদলি করা হয়েছে। এই বদলির কারন জানালেন নতুন ডিজি।
করোনা মহামারি মোকাবিলায় এখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রথম চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পরে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে অনলাইনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মহাপরিচালক ডা. এ. বি. এম খুরশীদ আলম। এসময় বাইরের দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক চক্র দেশের স্বাস্থ্যখাতকে প্রতিনিয়ত বির্তকিত করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসময় দায়িত্ব নেয়ার কয়েকদিনের মাথায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২৮ কর্মকর্তাকে বদলির বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রুটিন কাজ বলে জানান মহাপরিচালক। এর সাথে দুর্নীতি বা অনিয়মের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, বর্তমান সময়ে দেশের সরকারী-বেসকারি বিভিন্ন খাতে দুর্নীতি বা অনিয়মের প্রবনতা ব্যপক বিস্তার লাভ করেছে। তবে বাংলাদেশ সরকার সাম্প্রতিক সময়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং সকল অনিয়ম এবং দুর্নীতি নিরসনের জন্য বিশেষ ভাবে কাজ করছে।