করোনা ভাইরাসের মহা তান্ডবে দেশের শিক্ষা কার্যক্রম অনিশ্চয়াতার মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে। এবং শিক্ষার্থীরা এক দুশ্চিন্তায় পতিত হয়েছে। বর্তমান সময়ে দেশের অন্যান্য সকল কার্যক্রম সচল রয়েছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে এক দোটানার মধ্যে রয়েছে সরকার। করোনার পরিস্তিতির উপর নির্ভর করে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান চালু করার কথা জানিয়েছে। এই বিষয়ে এক নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মন্ত্রিপরষদ সচিব।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেবার সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নেবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে নয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেবার সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নেবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে ’স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২০’, বাংলাদেশ বিমান কর্পোরেশন (রহিতকরণ) আইন, ২০২০ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া ছাড়াও ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, শপথের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রথম বৈঠক হবে। বৈঠকের দিন পুরনো কর্পোরেশন বাতিল হয়ে যাবে। সময় গণনা শুরু হবে। মেয়াদ শেষের তিনমাস আগে নির্বাচন করতে হবে। সিটি নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বছরে তিন মাসের বদলে এক মাস ছুটি পাবেন। তিনি বলেন, বিনোদনের জন্য (৫ কেজির নীচের ড্রোন) ও রাষ্ট্রীয় ও সামরিক কাজে ড্রোন ব্যবহারে অনুমোদন নিতে হবে না। তবে বাণিজ্যক কাজে ব্যবহারের জন্য ৫ কেজির উপরে যে কোন ড্রোনের জন্য সিভিল এভিয়েশন ও কেপিআই কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ১৯৯৮ এর মতো ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা করা হলেও, পূর্বাভাস বলছে ভয় নেই।

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে সকল বোর্ড পরীক্ষা স্থগিত করে দিয়েছে সরকার। এবং অটোপ্রমোশনের কথাও জানিয়েছে সরকার। করোনার কারনে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপশাই আরোও নানা ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে। অবশ্য বাংলকাদেশ সরকার করোনায় সৃষ্ট এই সকল সংকট শক্ত হাতে দমনের জন্য আপ্রান ভাবে চেষ্টা করছে।