হঠাৎ করেই বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজের এক অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে। এবং ব্যপক হারে দেখা দিয়েছে পেঁয়াজের সংকট। এমনকি মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়ে গিয়েছে পেঁয়াজের মূল্য। এর প্রদান কারন ভারত হঠাৎ করে পেঁয়াজের রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের কাছে এক অনুরোধ রাখলো বংলাদেশ।
দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের আদেশ প্রত্যাহার করতে ভারতকে অনুরোধ করেছেন বলে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, যখন নোটিশটি আমাদের নজরে আসে, আমাদের দূতাবাস দিল্লিতে সঙ্গে সঙ্গেই এটি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে টেকআপ করেছে। কারণ আমাদের মধ্যে অলিখিত কথাটি ছিল যে, ভারত অব্যাহতভাবে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করবে। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি কোনো পরিবর্তন আনে তবে আগে আমাদের জানিয়ে দেবে। আমরা তাদের খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। প্রত্যাশা করছি, এটার একটা ভালো ফলাফল পাবো। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত পূর্ব ঘোষণা ছাড়া বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর বাংলাদেশে একদিনেই পেঁয়াজের দাম এক তৃতীয়াংশ বেড়ে গেছে। গত সোমবার ঢাকার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬০ টাকা দরে বিক্রি হলেও গতকাল মঙ্গলবার বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা দরে।

উল্লেখ্য, গত বছরের মতোই এবারো একই কাজ করেছে ভারত। কোনো প্রকার আগাম বার্তা না দিয়েই ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বাজারে এক সংকটময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে ভারত রফতানি বন্ধ করার কারন জানিয়েছে।