হঠাৎ করেই সম্প্রতি সময়ে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশের সাবেক সেনা প্রধান ও রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সরকার প্রধান শেখ হাসিনা বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন জিয়াউর রহমানকে ঘিরে। এমনকি চন্দ্রিমা উদ্যানে তার কবর নিয়েও সন্দহ প্রকাশ করেছেন শেখ হাসিনা। এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এই প্রসঙ্গ নিয়ে বেশ কিছু কথা জানালেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, শহীদ জিয়ার লা/শ নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র ও নাটকের রাজনীতি শুরু করেছে সরকার। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেখবে জিয়াউর রহমানের কবরে লা/শ আছে কিনা। মরহুম এম সাইফুর রহমানের ১২তম মৃ/ত্যু/বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ কথা বলেছেন। রোববার সকালে সদর উপজেলার বাহারমর্দনে এম সাইফুর রহমানের বাড়িতে মরহুমের কবর জিয়ারত, কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কর্মময় ও রাজনৈতিক জীবন নিয়ে স্মরণসভা, দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

গয়েশ্বর বলেন, প্রধানমন্ত্রী ওই দিন জোরগলায় বললেন যে, জিয়াউর রহমানের লা/শ নেই। আমি বিশ্বাস করি নাও থাকতে পারে। কারণ উনি কনফার্ম না হলে এ কথা বলেন কেমনে? ইলিয়াস আলী গু/ম হয়েছে, বিভিন্ন মানুষ গু/ম হয়েছে। জিয়াউর রহমানের লা/শও গু/ম হতে পারে। আমার মনে হয় ভবিষ্যতে লা/শ গু/মে/র একটা মামলা প্রধানমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, বিএনপি যদি কোনো সময় সরকারে আসে, জিয়াউর রহমানের কবর থেকে যেকোনোভাবে আমাদের দেখতে হবে লাশটা আছে কিনা। যদি না থাকে, এই প্রধানমন্ত্রীকে বলতে হবে। স্বঘোষিত বলেছিলেন না- লা/শ নাই? লা/শ না থাকলে তো তিনি জানেন কোথায় রাখছেন। এটার জন্য একটা নোবেল পুরস্কার পাইতে পারে লা/শ গু/ম করার।

অবশ্যে বর্তমান সরকারের করা সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছে বিএনপি দল। এমনকি চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের কবর রয়েছে এরই ইতিহাস তুলে ধরেছে বিএনপি দলের নেতাকর্মীরা। এমনকি তারা জানিয়েছে শহীদ জিয়ার লা/শ নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র করলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।