প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে "শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড"। শিক্ষা ছাড়া দেশ ও জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। বর্তমান সময়ে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষাখাত ক্রমশই এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের দিকে। এমনকি দেশের অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যারা কিনা মেধা গুনে নিজ দেশের পাশাপাশি বিশ্ব দরবারে অর্জন করছে ব্যপক সফলতা এবং সম্মননা। সম্প্রতি এমনি এক বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর নাম উঠে এসেছে প্রকাশ্যে।
বিশ্বের ৯টি দেশের ১৮৫ জনকে পরাজিত করে আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী আশরাফুন নাহার। এশিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি অফ আর্ট অ্যান্ড ডিজাইনের আয়োজনে বেষ্ট প্রেজেন্টেশন বাই রুম অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিনি। আশরাফুন নাহার বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা অনুষদের গ্রাফিক্স ডিজাইন বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাককানইবির চারুকলা অনুষদের পক্ষে ড. সিদ্ধার্থ দে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্ম অনলাইনে সংগ্রহ করা হয় এবং শিল্পকর্মগুলো ভার্চ্যুয়ালি প্রদর্শিত হয়। এটির আয়োজক দেশ ছিল মালয়েশিয়া।

জানা যায়, অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে ১৬ জনকে বেস্ট প্রেজেন্টেশন বাই রুম অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে পুরস্কৃত হন আশরাফুন নাহার। বাংলাদেশ থেকে ৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এই আয়োজনে। যারা প্রত্যেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।

বাকি অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা হলেন, শ্রাবণী দাস, তাসনোভা শারমিন, শর্মিষ্ঠা রায়, মো. জাহিদ হোসেন, রাখি আক্তার, সোনিয়া তাবাসসুম। এ ছাড়াও বাংলাদেশ থেকে অনুষ্ঠানটির প্রতিনিধিত্ব করেন জাককানইবি এর সহকারী অধ্যাপক আল মনজুর এলাহী। তারা সবাই জাককানইবি এর চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়া, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, কানাডা, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং বাংলাদেশ। এ ছাড়া ডিগ্রি শোকেস উপস্থাপনা এবং শিল্প ও নকশা জগতের চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ নিয়ে সিম্পোজিয়ামেরও আয়োজন করা হয়।

শিক্ষার্থী আশরাফুন নাহারের মত এমন অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছে।প্রায় সময় অনেক এমন মেধাবী শিক্ষার্থীদের সফলতার কথা প্রকাশ্যে উঠে এসেছে। বাংলাদেশের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছে যারা আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে নানা প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে নিজেদের সফলতার পাশাপাশি বাংলাদেশকেও সম্মানিত করেছে।