বাংলাদেশের বহুল আলোচিত নাম সম্রাট। তিনি রাজধানীতে ক্লাব ব্যবসার আড়ালে অবৈধ ক্যা/সি/নো পরিচালনা করতেন। এবং জড়িত ছিলেন রাজনীতির সঙ্গে। তিনি বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রাজনীতির ছায়াতলে থেকে দীর্ঘ দিন ধরে তিনি করেছেন নানা ধরনের অপকর্ম। তবে গত বছরে ১৮ সেপ্টেম্বর শুরু হয় র‌্যা/বের অভিযান মা/দ/ক ও ক্যা/সি/নোর বিরুদ্ধে। এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেফতার হন সম্রাট। এবং বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। তার সম্পদের বিরুদ্ধে এক নতুন নির্দেশনা দিয়েছে আদালত।
ক্যা/সি/নো/কাণ্ডে আলোচিত যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুদকের করা আবেদনের মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ নির্দেশ দেন। দুদকের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সংস্থার উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম আসামি সম্রাটের ডিওএইচএস ও কাকরাইলের দুটি ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশনা চান।

গত বছরের ১২ নভেম্বর দুদকের করা মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনা হয়। এর আগে, সহযোগী আরমানসহ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে সম্রাটকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, আইনশৃঙ্খলা বাহীনীর ক্যা/সি/নো/বি/রো/ধী অভিযানের শুরু থেকেই নজরদারিতে ছিলেন সম্রাট। এমনকি তিনি বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার ও চেষ্টা করেছিলেন। তবে শেষ রক্ষা হল না তার। তিনি গ্রেফতার হয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে। তার বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য অভিযোগ। চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজি এবং মা/দ/ক ও অবৈধ ক্যা/সি/নো ব্যবসাসহ আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।