সমগ্র দেশ জুড়ে সম্প্রতি সময়ে আলোচনা-সমালোচনার শীর্ষে রয়েছেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। তিনি মূলত বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ দলের একজন নেত্রী। ’বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামের একটি সংগঠনকে ঘিরে বির্তকের মুখে পড়ে হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্যপদ হারিয়েছেন। এমনকি তাকে গ্রে/ফ/তা/রও করেছে র‌্যা/ব। শুক্রবার ৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয় তাকে। এবং তাকে পাঁচ দিনের রি/মা/ন্ডে নিতে আবেদন করে পু/লি/শ।
বর্তমান সময়ের টক অব দ্যা টাউন হেলেনা জাহাঙ্গীর। সম্প্রতি ফেসবুকে ’বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি হিসেবে তু/মু/ল বিতর্কের জন্ম দেন এই ব্যবসায়ী। যার জেরে আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্যপদ হারান তিনি। তবে আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। শুধু তাই নয় নিজেকে সরকার ও আওয়ামী লীগের লোক বলেও দাবি করেছেন। শুক্রবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর গুলশান থানার মামলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে পাঁচ দিনের রি/মা/ন্ডে নিতে আবেদন করে পু/লি/শ।

এদিকে এই মামলার শুনানিতে ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী তার কাছে জানতে চান, ’আপনার কিছু বলার আছে?’ তখন হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ’আমি সরকারের লোক। আমি আওয়ামী লীগের লোক। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ২৫টি দেশ ভ্রমণ করেছি। আমি কোনো অপরাধ করিনি। তার প্রমাণ নেই। আমি বহিষ্কার হইনি। আমি এখনও দলের সঙ্গে আছি।’ বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাত ১২টার দিকে গুলশানের ৩৬ নম্বর রোডের ৫ নম্বর বাসায় দীর্ঘ প্রায় চার ঘণ্টা অভিযান শেষে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আটক করে র‌্যা/ব। আ/ট/কে/র সময় তার বাসা থেকে বি/দে/শি ম/দ, অ/বৈ/ধ ওয়া/কি/ট/কি সেট, চাকু, বৈদেশিক মুদ্রা, ক্যা/সি/নো সরঞ্জাম ও হরিণের চা/ম/ড়া উদ্ধার করা হয়।

বর্তমান সময়ে এক শ্রেনীর সুবিধাভোগী ব্যক্তি রয়েছে যারা রাজনীতি অঙ্গনে প্রবেশ করেছে নিজেদের স্বার্থ লাভের আশায়। এমনকি এই রাজনীতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে করছেন নানা ধরনের অন্যায় কর্মকান্ড। অবশ্যে প্রায় সময় প্রকাশ্যে উঠে আসছে এমন অনেক নেতা-নেত্রী।