বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল গুলোর মধ্যে একটি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। এই দলটি বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব পালন করেছে। তবে বর্তমান সময়ে নানা ভাবে অবহেলিত এবং নি/র্যা/তি/ত। এমনকি এই দলের অসংখ্য নেতাকর্মীরা বিভিন্ন মা/ম/লা/য় জর্জরিত। ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মা/ম/লা/র শিকার হয়ে ছিলেন এই দলের অন্যতম একজন নেতা মেজর (অব.) মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। অবশ্যে আজ তিনি এই মা/ম/লা/য় জামিন পেয়েছেন।
২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে (বীর বিক্রম) জামিন দিয়েছেন বরিশালের সাইবার ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরিশালের সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক গোলাম ফারুক তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। হাফিজ উদ্দিন আহমেদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাজী এনায়েত হোসেন এ তথ্য জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শুনে ও বয়স বিবেচনায় বিচারক তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

২০১৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর ভোলা জেলার লালমোহন থা/না/র বদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল হক বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে একটি মা/ম/লা দায়ের করেন। মামলার বর্ণনায় তিনি বলেন, মামলার ২ নম্বর আসামি একই এলাকার মো. বাবুল হাওলাদারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন হাফিজ। ওই ফোনালাপে আ/প/ত্তি/ক/র কথাবার্তা ছিল, যা দ্বারা জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি পরবর্তীতে গণমাধ্যমে প্রচার হয়। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ফরিদুল হক পরে মা/ম/লা দায়ের করেন। সেই মা/ম/লাটি বর্তমানে বরিশালের সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।

অবশ্যে বিএনপি দলের অসংখ্য নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও একাধিক মা/ম/লা/র শিকার। তবে এই দলটি চলমান সকল সংকটময় পরিস্তিতি কাটিয়ে ক্ষমতা লাভের জন্য আপ্রান ভাবে চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে দলটি এরই লক্ষ্যে গ্রহন করেছে নানা ধরনের পদক্ষেপ।