দীর্ঘ দিন ধরে শারীরিক ভাবে নানা ধরনের জটিলতায় ভুগছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাতীয়তাবাদী বিএনপি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তবে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারছেন। মূলত তিনি জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দূর্নীতির মামলায় সাজা ভোগ করছে। অবশ্যে তার পরিবার সহ দল থেকে সরকারের কাছে বেশ কয়েকবার আবেদন করা হয়েছে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য। নতুন করে বেগম জিয়ার পরিবার আবারও আবেদন করেছে। এই বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছিল তার পরিবার। সেই আবেদনে মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। সেই মতামত পাঠানো হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এই মতামত পাঠানো হয়। আইন মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতে কী বলা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

সূত্রটি বলছে, ’মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে পরিবারের করা একটি আবেদনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মতামত পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।’ এর আগে, গত সপ্তাহে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে মুক্তি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার আবেদনটি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, শামীম এস্কান্দারের চিঠিতে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে মুক্তি চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত পাওয়ার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজা প্রাপ্ত হয়ে কারাভোগ করছেন বেগম খালেদা জিয়া। অবশ্যে বর্তমান সময়ে জামিনে রয়েছেন তিনি। ৩ দফায় তার এই জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে আদালত।