সম্প্রতি বাংলাদেশের সরকার নেতাকর্মীদের আসন্ন দ্বাদশ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচনকে ঘিরে ব্যপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মূলত দেশের নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এরই মধ্যে আবার নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়েও চলছে ব্যপক আলোচনা। এবার এই বিষয়ে বেশ কিছু কথা জানালেন আওয়ামীলীগ দলের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী সময়মতোই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে দলের সম্পাদক মণ্ডলীর সভায় তিনি এ কথা বলেন। গতবারের মতো এবারও সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠনের ইঙ্গিত দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে, এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। আপনারা জানেন গতবারও রাষ্ট্রপতি একিটি সার্চ কমিটি গঠন করেছিলেন এবং সার্চ কমিটি গঠন করার পর সেখানে বিএনপিরও প্রতিনিধি ছিল। তাদেরও কিন্তু এখন একজন আছে। এবারও সব রকম গ্রহণযোগ্য পন্থায় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আইন অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের দলের সম্মেলনও নির্ধারিত সময়ে হবে। আওয়ামী লীগে আগাম সম্মেলনের নজির নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ওবায়দুল কাদেরের ব্রিফিং শেষে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যরা। এদিন সকাল ১০টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শুরু হয়।

বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও গনতান্ত্রিক দেশ। এই দেশে জনগনের ভোটের মধ্যে দিয়ে সরকার গঠিত হয়ে থাকে। এবং রাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে থাকে। প্রতি ৫ বছর অন্তর অন্তর এই নির্বাচন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে সরকারের মেয়াদ কালও ৫ বছর।